ঢাকা, শনিবার, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২১ মাঘ ১৪২৯

শেয়ারবাজারে উর্ধ্বগতি থেমে যাওয়ার নৈপথ্যকথা

২০২২ নভেম্বর ২৩ ১৮:২১:০৭
শেয়ারবাজারে উর্ধ্বগতি থেমে যাওয়ার নৈপথ্যকথা

নিজস্ব প্রতিবেদক: শেয়ারবাজারে দ্বিতীয় দফা ফ্লোর প্রাইস বেঁধে দেওয়ার কিছুদিন পর বেশিরভাগ শেয়ার ফ্লোর প্রাইসে অবস্থান নেয়। তারপরও সূচক ক্রমাগত উত্থানে থাকে। সূচকের এমন উত্থানের পেছনে কাজ করেছে গুটি কয়েক কোম্পানি। যে কোম্পানিগুলোর কারণে সিংহভাগ কোম্পানি ফ্লোর প্রাইস অবস্থার করার পরও শেয়ারবাজার ছিলো উর্ধ্বমূখী। এই উর্ধ্বমূখী শেয়ারবাজারে লেনদেনও ছুঁয়েছিল প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা। কিন্তু সূচকের উত্থান এবং লেনদেনের এমন উর্ধ্বগতি হঠাৎ কমে যাওয়ার কারণ কি? এমন একটি সাধারণ প্রশ্ন বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে।

বিনিয়োগকারীরা বলছেন, ওরিয়ন গ্রুপের চার কোম্পানি, মনোস্পুল পেপার, পেপার প্রসেসিং, এডিএন টেলিকম, ইস্টার্ণ হাউজিংসহ কিছু কোম্পানি ক্রমাগত ঝলক দেখিয়ে হঠাৎ করে ফ্লোর প্রাইসের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এর মূল কারণ কি? এই কোম্পানিগুলোর শেয়ার কিছু নির্দিষ্ট চক্র সেচ্ছায় আকাশে তুলে এখন ফের ফ্লোরে নামাচ্ছে কেন? এর পেছনে কী অন্য কোনো রহস্য লুকিয়ে আছে?

এই কোম্পানিগুলোর শেয়ারদর ফ্লোরের দিকে নামার কারণে শেয়ারবাজারে যে পেনিক সৃষ্টি হচ্ছে, সেই পেনিকের প্রভাবে শেয়ারবাজারে টানা পতন চলেছে। ফ্লোর প্রাইস বেঁধে দেওয়ার আগেও এমন পেনিক লক্ষ্য করা যায়নি। যা বর্তমানে শেয়ারবাজারে দৃশ্যমান। এমন পরিস্থিতিতে কারসাজির অভিযোগের এই কোম্পানিগুলো থেকে ফ্লোর প্রাইস তুলে দেওয়ার দাবি তুলছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।

বিনিয়োগকারীরা বলছেন, এই কোম্পানিগুলোর শেয়ার থেকে ফ্লোর প্রাইস তুলে দিলে কোম্পানিগুলোর শেয়ারদর আর কমবে না। কারণ এই শেয়ারগুলোতে রয়েছে বড় বড় রাগব বোয়ালরা। যা বিএসইসির সার্ভি্ল্যান্স বিভাগ তদন্ত করেই বুঝতে পারবে। আর এই শেয়ারগুলো শেয়ারবাজারে মুভমেন্টও ঘুরিয়ে দিতে পারবে। যা অন্য শেয়ারগুলোর জন্যও আর্শিবাদ সরূপ কাজ করবে।

বিনিয়োগকারীরা আরও বলছেন, শেয়ারবাজারকে ঠিক করতে হলে নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে কিছু দুরদর্শী সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কোনো অদৃশ্য প্রভাবে প্রভাবিত হয়ে সিদ্ধান্ত হীনতায় থাকলে চলবে না। কারণে গত কয়েক দিনের টানা পতনের কারণে মার্জিন ঋণে যারা বিনিয়োগ করেছে, তাদের মূলধন কমেছে ২০-৪০ শতাংশ। এতে করে বেশিরভাগ বিনিয়োগকারী ফোর্স সেলের ঝুঁকিতে ঝুলছে।

এই ফোর্স সেল শেয়ারবাজারের জন্য আরও বেশি খারাপ হবে। কারণ এতে করে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা সমস্ত পুঁজি হারিয়ে পথে বসবে। যে কারণে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা এই বাজারে আসতে ভয় পাবে। আর সাধারণ বিনিয়োগকারীরা এই বাজারে না আসলে শেয়ারবাজারের প্রাণ বলে কিছুই থাকবে না। এমনটাই অভিমত বাজার সংশ্লিষ্টদের।

পাঠকের মতামত:

শেয়ারবাজার এর সর্বশেষ খবর

শেয়ারবাজার - এর সব খবর



রে